আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং ঠাকুর দাদাল লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..
আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং ঠাকুর দাদাল লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..
আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং ঠাকুর দাদাল লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..
আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং ঠাকুর দাদাল লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..
আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং ঠাকুর দাদাল লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..
আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং ঠাকুর দাদাল লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..
আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং ঠাকুর দাদাল লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..
আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং ঠাকুর দাদাল লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..
ঢেকে রাখে যেমন ঝিনুক
খোলশের আবডালে মুক্তার সুখ….
Muhuraat cheeni2… Svf
Muhuraat cheeni2… Svf
Muhuraat cheeni2… Svf
Muhuraat cheeni2… Svf
Muhuraat cheeni2… Svf
Muhuraat cheeni2… Svf
Muhuraat cheeni2… Svf
Muhuraat cheeni2… Svf
Muhuraat cheeni2… Svf
Muhuraat cheeni2… Svf
আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং আমার ঠাকুর দাদা র লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..
আমাদের বাড়ি….. অনেক স্মৃতি অনেক ভালোবাসা অনেক জমে থাকা অভিমানের মধ্যে ও আমাদের বাড়ি টা এখনও এক মুঠো ঠান্ডা বাতাসের মতো…. সব বাড়ির কিছু নিয়ম হয় আমাদের বাড়ির ও অনেক নিয়ম ছিল…. সেই নিয়মের খানিক বাইরেই ছিলো আমার ভাবনা তাই কাজ গুলো আলাদা ছিলো….. এক প্রকারে ভিন্নমত আমার তাই আমারই আমি ছিলাম আমার মতো করে কিন্তু প্রভাব বা সাংস্কৃতি টা আমার এখনো আমার অনেক টা বাড়ির মতই….. যেমন বড়দের ভাবনা বা তাদের ইগো কে মেনে নিয়ে চলা…. সেটা আমরা কখনোই ভাঙিনি…. সেটা কে সম্মান জানিয়ে এক টা অদৃশ্য দেয়াল ছিলো যেটা ভাঙার সাহস আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছিলো না….. আজ মায়ের মৃত্যুর পর বর্তমান টাই শাশ্বত তাই আমরা বাঁধন ভেঙে সবাই আজ এক ফ্রেমে…. আমি বিশ্বাস করি জীবনে কিছু নাহি রয় তোমার আমার পরাজয়…. শুধুই ব্যবহার আর কাজ টা থেকে যাবে…… আর পরের প্রজন্মের কাছে থাকবে আমার শিক্ষা বাকি সবটাই মাটি আর মিথ্যে মায়া….. আজকের দিনটা বিরাট এক টা পাওনা সবার সামনে আমার দুই পরিবারের চিত্র টা দেখাতে পারলাম…. আমার দাদা কে সবাই চেনেন তার বাইরে আমার আর এক দাদা আছেন বড় দাদা ছোট বেলায় আমরা বলতাম আমরা দুই ভাই এক বোন কখনো বলিনি জেঠুর ছেলে.. আছেন বৌদি ভাইপো এবং আমার রানী দিদি যিনি জীবনের শেষ দিনে ও মায়ের হাত ছাড়েন নি মায়ের মুখে শেষ জল টা রানী দিদি দিয়েছেন…. আমার শ্বশুর বাড়িতে আমরা ১০০. জনের পরিবার সবাইকে নিয়ে…. আজ আমার বাড়ির সবাই মিলে আমরা,, ১০৫.।মা আমাদের এক করে দিলেন…. বাকি গল্প আরো নতুন আর রঙিন হোক এবং ক্রমশ থাকুক এটাই ইশ্বরের কাছে কামনা… এই ছবি গুলো তে special হলো আমার পুতুলের ঘর,আমার বড় মার যত্ন নিয়ে সাজানো পুতুল… পুরোনো পাখা এখনও ঘোরে… এবং আমার ঠাকুর দাদা র লাঠি, আমার ঠাকুমার ঘর যেটি এখন ঠাকুর ঘর…. আমরা সত্যি খুব ছাপোশা কিন্তু খুব সত্যি..