ঢাক থেমে গেছে, আলো নিভেছে,প্রতিমা বিসর্জন হয়ে গেছে..মন খারাপ বৈ কী… 🪷জানো,একটা সময় ছিল যখন দুর্গাপূজায় মাটির প্রতিমা বলে কিছু ছিল না। মানুষ তখন দেবীকে খুঁজে পেত প্রকৃতির ভেতরে,গাছের পাতায়,নদীর জলে,আগুনের শিখায়। আর সেই সময় থেকে শুরু হয় ‘বেলপাতার পূজা’🍃 বৈদিক যুগে (প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০-খ্রিস্টীয় ৫০০) ঋগ্বেদে দেবীকে বলা হয় ‘অসীম শক্তি’ । মা দুর্গাকে ডাকা হতো প্রকৃতির প্রতীকে..গ্রামবাংলায় সেই সময়কার লোকাচারে দেবীর আবাস ধরা হতো বেলগাছের শাখায়..🌿 তারপর পূজা শেষ হলে সেই বেলশাখাটিকে নদী বা পুকুরে ভাসিয়ে দেওয়া হতো। বিশ্বাস করা হত যে, ‘মা প্রকৃতির সন্তান, তিনি এসেছেন প্রকৃতি থেকে, পূজা শেষে তাঁকে প্রকৃতিতেই ফিরিয়ে দিতে হবে।’ এটাই ছিল বিসর্জনের প্রথম রূপ। তবে আজ আমরা যে শারদীয় দুর্গাপূজা করি,তার শিকড় লুকিয়ে আছে রামের অকালবোধনে। তবে রাম যে পূজা করেছিলেন তাও ছিল পাতা, পদ্মফুল, ফল, অর্ঘ্য দিয়ে করা প্রতীকী পূজা আর এভাবেই কালক্রমে রামের পূজাই মানুষের মনে বিশ্বাস গড়ে দিল যে দেবী শরৎকালেও আসেন। তারপর মধ্যযুগে (১৫শ–১৬শ) সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমিদার, রাজারা দুর্গাপূজাকে বড় আকারে করতে শুরু করেন।মন্ত্র, যজ্ঞ, বেলপাতা আর শাখা তখন যথেষ্ট মনে হচ্ছিল না তাই পূজাকে রাজকীয় আভা দেওয়ার জন্য তাঁরা শুরু করলেন মাটির প্রতিমা তৈরি।১৫৮০ সালের দিকে নদিয়ার রাজা কংসনারায়ণ প্রথমবারের মতো প্রতিমা-পূজার প্রচলন করেন।এরপর একে একে বাংলার বিভিন্ন জমিদারবাড়িতে প্রতিমা-দুর্গাপূজা শুরু হয়। এসময়েই জন্ম নেয় শিল্পীদের বিশেষ এক গ্রাম – কুমোরপাড়া।প্রথম প্রতিমা গড়া শুরু হয়, বাঁশ, খড় আর মাটি দিয়ে। ১৮শ শতাব্দীতে কলকাতার জমিদাররা পূজাকে আরও অনেক বড় করে তুললেন। প্রথমে রাজা নবকৃষ্ণ দেবের শোভাবাজার রাজবাড়ি দুর্গাপূজা (১৭৫৭),সুভাষচন্দ্র বসুর পূর্বপুরুষদের পারিবারিক পূজাই কলকাতার দুর্গাপূজাকে এক নতুন মাত্রা দিল।তারপর ১৯১০-২০ সালের দিকে আসে আমাদের এই বারোয়ারি পূজা বা সামাজিক পূজা। অর্থাৎ সাধারণ মানুষ চাঁদা তুলে পূজা শুরু করে।তখন থেকেই পূজা উৎসবের রূপ নেয়।আর হয়ে ওঠে আমাদের সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব, যেখানে মাটির প্রতিমা, আলো, শিল্প, সঙ্গীত, আর মানুষের আবেগ সব একসাথে মিশে যায়। মা আসবেন আবার বছর পরে ❤️ বিষন্নতা কাটিয়ে কাজে মন দিতে হবে, আবার একটা বছর ধরে প্রস্তুতি চলবে এই মহাউৎসবের 🪷
ঢাক থেমে গেছে, আলো নিভেছে,প্রতিমা বিসর্জন হয়ে গেছে..মন খারাপ বৈ কী… 🪷জানো,একটা সময় ছিল যখন দুর্গাপূজায় মাটির প্রতিমা বলে কিছু ছিল না। মানুষ তখন দেবীকে খুঁজে পেত প্রকৃতির ভেতরে,গাছের পাতায়,নদীর জলে,আগুনের শিখায়। আর সেই সময় থেকে শুরু হয় ‘বেলপাতার পূজা’🍃 বৈদিক যুগে (প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০-খ্রিস্টীয় ৫০০) ঋগ্বেদে দেবীকে বলা হয় ‘অসীম শক্তি’ । মা দুর্গাকে ডাকা হতো প্রকৃতির প্রতীকে..গ্রামবাংলায় সেই সময়কার লোকাচারে দেবীর আবাস ধরা হতো বেলগাছের শাখায়..🌿 তারপর পূজা শেষ হলে সেই বেলশাখাটিকে নদী বা পুকুরে ভাসিয়ে দেওয়া হতো। বিশ্বাস করা হত যে, ‘মা প্রকৃতির সন্তান, তিনি এসেছেন প্রকৃতি থেকে, পূজা শেষে তাঁকে প্রকৃতিতেই ফিরিয়ে দিতে হবে।’ এটাই ছিল বিসর্জনের প্রথম রূপ। তবে আজ আমরা যে শারদীয় দুর্গাপূজা করি,তার শিকড় লুকিয়ে আছে রামের অকালবোধনে। তবে রাম যে পূজা করেছিলেন তাও ছিল পাতা, পদ্মফুল, ফল, অর্ঘ্য দিয়ে করা প্রতীকী পূজা আর এভাবেই কালক্রমে রামের পূজাই মানুষের মনে বিশ্বাস গড়ে দিল যে দেবী শরৎকালেও আসেন। তারপর মধ্যযুগে (১৫শ–১৬শ) সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমিদার, রাজারা দুর্গাপূজাকে বড় আকারে করতে শুরু করেন।মন্ত্র, যজ্ঞ, বেলপাতা আর শাখা তখন যথেষ্ট মনে হচ্ছিল না তাই পূজাকে রাজকীয় আভা দেওয়ার জন্য তাঁরা শুরু করলেন মাটির প্রতিমা তৈরি।১৫৮০ সালের দিকে নদিয়ার রাজা কংসনারায়ণ প্রথমবারের মতো প্রতিমা-পূজার প্রচলন করেন।এরপর একে একে বাংলার বিভিন্ন জমিদারবাড়িতে প্রতিমা-দুর্গাপূজা শুরু হয়। এসময়েই জন্ম নেয় শিল্পীদের বিশেষ এক গ্রাম – কুমোরপাড়া।প্রথম প্রতিমা গড়া শুরু হয়, বাঁশ, খড় আর মাটি দিয়ে। ১৮শ শতাব্দীতে কলকাতার জমিদাররা পূজাকে আরও অনেক বড় করে তুললেন। প্রথমে রাজা নবকৃষ্ণ দেবের শোভাবাজার রাজবাড়ি দুর্গাপূজা (১৭৫৭),সুভাষচন্দ্র বসুর পূর্বপুরুষদের পারিবারিক পূজাই কলকাতার দুর্গাপূজাকে এক নতুন মাত্রা দিল।তারপর ১৯১০-২০ সালের দিকে আসে আমাদের এই বারোয়ারি পূজা বা সামাজিক পূজা। অর্থাৎ সাধারণ মানুষ চাঁদা তুলে পূজা শুরু করে।তখন থেকেই পূজা উৎসবের রূপ নেয়।আর হয়ে ওঠে আমাদের সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব, যেখানে মাটির প্রতিমা, আলো, শিল্প, সঙ্গীত, আর মানুষের আবেগ সব একসাথে মিশে যায়। মা আসবেন আবার বছর পরে ❤️ বিষন্নতা কাটিয়ে কাজে মন দিতে হবে, আবার একটা বছর ধরে প্রস্তুতি চলবে এই মহাউৎসবের 🪷
ঢাক থেমে গেছে, আলো নিভেছে,প্রতিমা বিসর্জন হয়ে গেছে..মন খারাপ বৈ কী… 🪷জানো,একটা সময় ছিল যখন দুর্গাপূজায় মাটির প্রতিমা বলে কিছু ছিল না। মানুষ তখন দেবীকে খুঁজে পেত প্রকৃতির ভেতরে,গাছের পাতায়,নদীর জলে,আগুনের শিখায়। আর সেই সময় থেকে শুরু হয় ‘বেলপাতার পূজা’🍃 বৈদিক যুগে (প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০-খ্রিস্টীয় ৫০০) ঋগ্বেদে দেবীকে বলা হয় ‘অসীম শক্তি’ । মা দুর্গাকে ডাকা হতো প্রকৃতির প্রতীকে..গ্রামবাংলায় সেই সময়কার লোকাচারে দেবীর আবাস ধরা হতো বেলগাছের শাখায়..🌿 তারপর পূজা শেষ হলে সেই বেলশাখাটিকে নদী বা পুকুরে ভাসিয়ে দেওয়া হতো। বিশ্বাস করা হত যে, ‘মা প্রকৃতির সন্তান, তিনি এসেছেন প্রকৃতি থেকে, পূজা শেষে তাঁকে প্রকৃতিতেই ফিরিয়ে দিতে হবে।’ এটাই ছিল বিসর্জনের প্রথম রূপ। তবে আজ আমরা যে শারদীয় দুর্গাপূজা করি,তার শিকড় লুকিয়ে আছে রামের অকালবোধনে। তবে রাম যে পূজা করেছিলেন তাও ছিল পাতা, পদ্মফুল, ফল, অর্ঘ্য দিয়ে করা প্রতীকী পূজা আর এভাবেই কালক্রমে রামের পূজাই মানুষের মনে বিশ্বাস গড়ে দিল যে দেবী শরৎকালেও আসেন। তারপর মধ্যযুগে (১৫শ–১৬শ) সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমিদার, রাজারা দুর্গাপূজাকে বড় আকারে করতে শুরু করেন।মন্ত্র, যজ্ঞ, বেলপাতা আর শাখা তখন যথেষ্ট মনে হচ্ছিল না তাই পূজাকে রাজকীয় আভা দেওয়ার জন্য তাঁরা শুরু করলেন মাটির প্রতিমা তৈরি।১৫৮০ সালের দিকে নদিয়ার রাজা কংসনারায়ণ প্রথমবারের মতো প্রতিমা-পূজার প্রচলন করেন।এরপর একে একে বাংলার বিভিন্ন জমিদারবাড়িতে প্রতিমা-দুর্গাপূজা শুরু হয়। এসময়েই জন্ম নেয় শিল্পীদের বিশেষ এক গ্রাম – কুমোরপাড়া।প্রথম প্রতিমা গড়া শুরু হয়, বাঁশ, খড় আর মাটি দিয়ে। ১৮শ শতাব্দীতে কলকাতার জমিদাররা পূজাকে আরও অনেক বড় করে তুললেন। প্রথমে রাজা নবকৃষ্ণ দেবের শোভাবাজার রাজবাড়ি দুর্গাপূজা (১৭৫৭),সুভাষচন্দ্র বসুর পূর্বপুরুষদের পারিবারিক পূজাই কলকাতার দুর্গাপূজাকে এক নতুন মাত্রা দিল।তারপর ১৯১০-২০ সালের দিকে আসে আমাদের এই বারোয়ারি পূজা বা সামাজিক পূজা। অর্থাৎ সাধারণ মানুষ চাঁদা তুলে পূজা শুরু করে।তখন থেকেই পূজা উৎসবের রূপ নেয়।আর হয়ে ওঠে আমাদের সংস্কৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব, যেখানে মাটির প্রতিমা, আলো, শিল্প, সঙ্গীত, আর মানুষের আবেগ সব একসাথে মিশে যায়। মা আসবেন আবার বছর পরে ❤️ বিষন্নতা কাটিয়ে কাজে মন দিতে হবে, আবার একটা বছর ধরে প্রস্তুতি চলবে এই মহাউৎসবের 🪷
🎃Shakchunni na Bremmodattyi janina! Bhoot bhoot lagchhe bole post kore dilum! R 🪩Disco Ball ta kemon baniyechhi bondhura? 👻
🎃Shakchunni na Bremmodattyi janina! Bhoot bhoot lagchhe bole post kore dilum! R 🪩Disco Ball ta kemon baniyechhi bondhura? 👻
🎃Shakchunni na Bremmodattyi janina! Bhoot bhoot lagchhe bole post kore dilum! R 🪩Disco Ball ta kemon baniyechhi bondhura? 👻
🎃Shakchunni na Bremmodattyi janina! Bhoot bhoot lagchhe bole post kore dilum! R 🪩Disco Ball ta kemon baniyechhi bondhura? 👻
🎃Shakchunni na Bremmodattyi janina! Bhoot bhoot lagchhe bole post kore dilum! R 🪩Disco Ball ta kemon baniyechhi bondhura? 👻